#niloysfact
আগেই বলে রাখি, আমি একজন #আর্জেন্টিনা সমর্থক ✌✌✌
খেলা প্রেমিক হিসেবে আপনি যে কোন দল কে সাপোর্ট করতে পারেন, তাই বলে নিজের মাটিতে প্রত্তেক্টা যায়গায় অন্য দেশের পতাকা দেখতে আর ভালো লাগতেছে না।
আর নিজ মাতৃভুমিতে অন্য কোন দেশের পতাকা লাগানো দণ্ডনীয় অপরাধ।
বিনোদন কে দেশদ্রোহতে পরিনত করা থেকে সবাই দূরে থাকি ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ পতাকা বিধিমালা ১৯৭২-এর বিধি ৯(৪) অনুযায়ী দেশের অভ্যন্তরে কোনো ভবনে বা যানবাহনে কোনো বিদেশি পতাকা উত্তোলন করা যাবে না। বিদেশি পতাকা উত্তোলনের অনুমতি সাধারণ নাগরিকদের আদৌ নেই। সুতরাং এ ক্ষেত্রে আমরা পতাকা আইনের লঙ্ঘন করে চলেছি। আবার ভিনদেশি পতাকা ওড়াতে গিয়ে আমরা নিজেদের জাতীয় পতাকার অবমাননা করে চলেছি। বিশেষ ক্ষেত্রে বিদেশি পতাকা ওড়ানোর যে অনুমতি আইন দিয়েছে, সেখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে ভিনদেশি পতাকা ওড়ানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকাও সম্মানের সঙ্গে ওড়াতে হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, ভিনদেশি পতাকার সঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হচ্ছে না। আবার কেউ কেউ দায় থেকে বাঁচতে ভিনদেশি পতাকার ওপরে কিংবা পাশে বাংলাদেশের পতাকা ওড়াচ্ছেন বটে, কিন্তু সেখানেও দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের পতাকাটির সাইজ ভিনদেশিটির থেকে ছোট। এভাবেই আমরা প্রতিনিয়ত আমাদের পতাকার অবমাননা করে চলেছি, যা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ফুটবল বিশ্বকাপের মওসুমে প্রিয় দলের পতাকা ওড়ানোর উন্মাদনা বাংলাদেশে বহু দিনের পুরনো। কিন্তু পতাকা আইন অনুসারে এ ধরনের আচরণ অগ্রহণযোগ্য। এরকম অবস্থায় নাগরিকদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারের তরফ থেকে কিছু শিথিলতা, কিছু কঠোরতার সমন্বয় ঘটানো না হলে আইনের শাসন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
Comments
Post a Comment